সিমেড কি?

সিমেড হল একটি স্মার্ট স্বাস্থ্য মনিটরিং ব্যবস্থা।

সিমেড এর স্বাস্থ্য মনিটরিং ব্যবস্থাটি স্মার্ট ফোনের সাথে সম্পৃক্ত, সিমেড এর স্মার্ট মেডিকেল ডিভাইস সমূহ ব্যাবহার করে মানবদেহের বিভিন্ন গুরুত্তপূণ লক্ষণ সমূহের পরিমাপ প্রদর্শন করে ও প্রাপ্ত তথ্যসমূহ সুরক্ষিত ক্লাউড সার্ভারে সংরক্ষণ করে থাকে। ব্যাবহারকারিরা তাদের স্বাস্থ্যের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে তাৎক্ষনিক সংকেত জানতে পারবেন অত্যাধুনিক এই সিস্টেমের মাধ্যমে। সিমেড এর রেকর্ডকৃত স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্যাবলি ব্যবহারের মাধ্যমে ডাক্তারগণ রোগ নির্ণয়ের সময় কমিয়ে এনে উন্নত চিকিৎসা প্রদানে সমর্থ হবেন।

সিমেড কেন?

আজকের বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে স্বাস্থ্য সমস্যা এর পাশাপাশি স্বাস্থ্য কেন্দ্র, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর  অভাব। এই সমস্যা উন্নয়নশীল দেশগুলিতে আরো গুরুতর, যেখানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি উচ্চতর এবং উপযুক্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী খুঁজে পাওয়া কঠিন। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি যেখানে বিদ্যমান, সেখানে একটি স্মার্ট, স্বয়ংক্রিয় এবং নিরাপদ ক্লাউড ভিত্তিক স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার উপযুক্ত উপযুক্ত সমাধান হল CMED।

সিমেড এর প্রভাব

সিমেড একটি ক্লাউড ভিত্তিক স্মার্ট হেলথ মনিটরিং সিস্টেম, যা স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশন দ্বারা চালিত ও কতগুলো ডিভাইসের সমন্বয়ে তৈরি ব্যবস্থা যা স্বাস্থ্য তথ্যকোষ হিসেবে কাজ করবে।  অন্যান্য ডিভাইসের তুলনায়,  সিমেড সিস্টেমটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীর ডাটা রেকর্ড রাখে। এর ডিভাইসগুলো ব্যবহারকারীদের তাদের স্বাস্থ্যের জরুরী অবস্থায়  তাৎক্ষণিকভাবে  ডাক্তার দেখাতে বা পরামর্শ দান করে । বর্তমানে  রক্তচাপ, রক্তের গ্লুকোজ, পালস, রক্তের অক্সিজেন স্যাচুরেশন, তাপমাত্রা, ওজন, উচ্চতা এবং স্বাস্থ্য সূচক (বিএমআই) পর্যবেক্ষণ করার সার্ভিস প্রদান করছে CMED। স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক প্রভৃতি ভয়ানক রোগের ঝুঁকি কমাতে  CMED- এই আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে এসেছে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি নির্ণয় করতে পারবে, এবং চিকিৎসা ব্যায় কমাতে পারেন।  CMED সিস্টেমটির দ্বারা স্বাস্থ্য কর্মীরা গ্রামাঞ্চলেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

কেন স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করবেন?

  • ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশনের মতো অ-সংক্রামক রোগগুলি বিশ্বব্যাপী  এখন প্রধান সামাজিক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
  • সাধারণত আক্রান্ত ব্যাক্তির বড় কোন রোগ  ধরা পরার পূর্ব পর্যন্ত এগুলো অজানা থাকে।
  • নিয়মিত  স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি নির্ণয় করা যেতে পারে।
  • এই রোগ গুলো থেকে সারাজীবন ভুগতে হয় ।
  • নিয়মিত স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এই রোগগুলো ও এর প্রভাব থেকে প্রতিকার পাওয়া সম্ভব হয়।

কেন আমাদের রক্তচাপ পরীক্ষা করতে হবে

যদি আপনার রক্তচাপ খুব বেশি হয় তবে এটি আপনার রক্তনালী , হার্ট ও অন্যান্য অঙ্গ, যেমন মস্তিষ্ক, কিডনি এবং চোখ ইত্যাদির উপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে । নিয়মিত বা স্থায়ী উচ্চ রক্তচাপ আপনার শরীরে প্রাণঘাতী রূপে দেখা দিতে পারে। যেমন: হৃদরোগ, হার্ট এট্যাক, স্ট্রোক, হার্ট ফেইলিউর, পেরিফেরাল আরটারিয়াল রোগ, এওরটিক এনিইউরিজম, কিডনি রোগ, ভাস্কুলার ডিমেনশিয়া ইত্যাদি।

কেন আমাদের ডায়াবেটিস পরীক্ষা করতে হবে?

রক্তে উচ্চমাত্রার গ্লুকোজ থাকলে তাকে হাইপারগ্লাইসেমিয়া বলা হয়। হাইপারগ্লাইসিমিয়া থেকে যোনিপথ এবং ত্বকের সংক্রমণ হতে পারে; কাটা এবং ঘা ভাল হতে তখন অতিরিক্ত সময় নেয়; দৃষ্টি ক্ষমতা কমে যেতে পারে; এছাড়াও স্নায়ুর ক্ষতি ; চুল পড়ে যাওয়া ; পেট খারাপ বা ডায়রিয়া; চোখ, রক্তনালী, কিডনির ক্ষতিও হতে পারে।