Health Blog

ফাহিম সাহেবের হার্ট এট্যাক । পর্ব- ২

fahims-heart-attack

ফাহিম সাহেবের হার্ট এট্যাক

পর্ব- ২

 

ফাহিম সাহেব চিন্তিত বোধ করলেন, ভাবলেন মাত্র ৩৫ বছর বয়স, কি এমন হল যে, এই আজগুবি হার্টের রোগে পড়লেন যে, হাসপাতালের বিছানায় তাড়-তুর পেঁচিয়ে পরে আছেন! তিনি এ বিষয়ে ডাক্তার সাহেবের কাছে আরো জানতে চাইলেন। আসলে করিমুল সাহেব এই সুযোগের অপেক্ষাতেই ছিলেন, তিনি যতটুকু সম্ভব সহজ করে বলা শুরু করলেন।

দেখুন ফাহিম সাহেব, আমাদের শরীরে রক্ত থাকে ৪.৫-৫.৫ লিটারের মত। প্রতিটা কোষে এই রক্ত পৌছাতে হয় কোষের পুষ্টির জন্য। এর সাথে যায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান অক্সিজেন। মানব দেহের হৃদয়ের কোষেও পৌঁছাতে হয় এই গুরুত্ব বাহি অক্সিজেন। এই অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হার্টের কোষে পৌছায় বিভিন্ন ছোট বড় রক্ত নালির দ্বারা। এগুলোকে বলে আরটারি বা ধমনী। এদিকে, হার্ট বা মানব হৃদয় হল একটি বাড়ির মত, এর থাকে চারটা ঘর, এদের আবার সুন্দর নামও আছে, অলিন্দ ও নিলয়। বাম অলিন্দ ও নিলয় থেকে অক্সিজেন বাহি রক্ত হার্টের দেয়ালের নিয়মিত সঙ্কোচন প্রসারণের মাধ্যমে পুরো শরীরে চলে যায়, অপরদিকে কার্বন ডাই অক্সাইড বাহি রক্ত, বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য ডান অলিন্দ ও ডান নিলয়ে আসে। ধরুন, কোন কারনে কোন ধমনির রক্ত চলাচলের পথে কোন কিছু বাধা হয়ে দাড়ালো, তাহলে দেখা যাবে সেই ধমনির সাথে হার্টের যেই অংশ যোগাযোগ রক্ষা করছে; রক্ত সমৃদ্ধ অক্সিজেন এর অভাবে সেই অংশ সাময়িক ভাবে বা পুরোপুরি বিকল হতে পারে। অর্থাৎ, অকার্যকর হয়ে যাবে। এদিকে হার্ট কিন্তু পাম্প করেই যাচ্ছে। অর্থাৎ, অক্সিজেনবাহি রক্ত শরীরের বাকি অংশ ছাড়াও নিজেকে সাপ্লাই দিয়ে যাচ্ছে। এদিকে হার্টের সেই বিকল অংশ কতক্ষণ অকর্মক্ষম থাকবে তা নির্ভর করে অনেক বিষয়ের উপর। যেমন- নালী বন্ধকারি বস্তুর ( সাধারণত চর্বি জমলে) আকার আকৃতি, ধমনির কার্যকারিতা, রোগীর বয়স, চিকিৎসার সময় ও পদ্ধতি, রোগ নির্ণয় ইত্যাদির  উপর।

এবারে আসুন সাধারণত এসব রোগীরা কি কি লক্ষণ নিয়ে আসে?

সাধারণত দেখা যায় চল্লিশ ঊর্ধ্ব পুরুষ বা পঞ্চাশ পার হওয়া মহিলারা বেশি হার্ট এট্যাকের শিকার হোন। রাস্তা দিয়ে হাটার সময় বা কাজের মাঝে দেখা যায়, তারা ঠাণ্ডা ঘাম সহ বুকে ব্যাথা বা অসস্থি বোধ করেন বা হালকা মাথা ব্যাথা, বমি বা বমি ভাব থাকতে পারে, চোয়াল, ঘাড় বা পিঠে ব্যাথা থাকতে পারে, হাতের বাহুতে বা কাঁধে ব্যাথা থাকতে পারে ও শ্বাসকষ্ট হবে।

এবার জানি হার্ট এট্যাক পরবর্তী কি কি সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে?

সাধারণত দুই ভাবে সমস্যাগুলিকে ভাগ করতে পারি- এর একটি হল, ইমিডিয়েট বা প্রাথমিক সমস্যা- যেমন; হার্ট অনিয়মিত ভাবে খুব দ্রুত বা খুব ধীরে স্পন্দিত হবে, হঠাৎ রক্তচাপ কমে যাবে ফলে হার্ট ঠিক মত কাজ করবেনা ও শরীরের অন্যান্য অংশে রক্ত সরবরাহ করবেনা, রোগী ফিট হয়ে পরে যাবে, শরীরে অক্সিজেন এর মাত্রা কমে যাবে, ফুসফুস ও এর আশে পাশে পানি জমে যাবে, পা বা কোমরের শিরার নালি বন্ধ হয়ে যাবে এছাড়াও, আরো ভয়ংকর হল- হার্টের বিভিন্ন প্রকোষ্ঠ বা ঘর ড্যামেজ হতে পারে বা ফুলে যেতে পারে।

আর দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা গুলো-

হার্টের দেয়ালে ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে, পাশাপাশি রক্ত তঞ্চন বা ক্লটের তৈরি হবে, নিম্ন রক্তচাপের সঙ্গে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন হবে, হার্টে অপরিমিত অক্সিজেনের কারনে বুকে ব্যাথা হতে পারে। খুব দুর্বল ভাবে হার্ট কাজ করার কারনে রোগী খুব দুর্বল বোধ করবে ও শ্বাস জনিত সমস্যায় পড়তে পারে তাছাড়া, পায়ের গোড়ালি বা কোমর এ পানি আসা সহ পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রজনন তন্ত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে ও পেরিকারডাইটিস বা হার্টের দেয়ালের প্রদাহ হতে পারে।

মাঝখানে মিসেস ফাহিম ডাঃ করিমুল সাহেব কে জিজ্ঞাসা করলে, আচ্ছা স্যার- ফাহিমের এমন হার্ট এট্যাকের কারন কি? উত্তরে করিমুল সাহেব বললেন, দেখুন হার্ট এট্যাকের তো অনেক কারন আছে, তবে ফাহিম সাহেবের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কারন কি তার জন্য আমরা কিছু টেস্ট ইতিমধ্যেই দিয়েছি, আজকেই রিপোর্ট চলে আসবে, তবে আমি ধারনা করছি রক্ত নালিতে চর্বি জমার কারনে এমনটা হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন কারন থাকতে পারে- যেমন, পুরুষের ক্ষেত্রে ৪৫ ও মহিলাদের ক্ষেত্রে ৫৫ এর বেশি হলে, রক্ত স্বল্পতা, রক্তে উচ্চ মাত্রার চর্বি বা কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ, নিত্য আহার্য খাবার দাবার- যেমন খাবারে যদি সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে তাহলে হার্ট এট্যাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। জিনগত কারণেও হতে পারে, অর্থাৎ পরিবারের কারো যদি হার্ট এট্যাকের পূর্ব ইতিহাস থাকে তাহলে এর সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া, আগে থেকেই যদি কারো হার্টের অপারেশন হয়ে থাকে বা কেও যদি দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা ইত্যাদিতে ভোগেন।

তাছাড়াও, ধূমপায়ী ব্যাক্তি, কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ বা এইডস রোগীদের ক্ষেত্রেও হার্ট এট্যাকের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। সত্যি বলতে হার্ট এট্যাক কোন একটি নির্দিষ্ট কারনে সাধারণত হয়না। একের বেশি কারনে হয়ে থাকে।

করিমুল সাহেব কিছুক্ষন দম নিলেন, এদিকে মিসেস ফাহিম ও ফাহিম সাহেব এতক্ষন হা করে শুনছিলেন করিমুল সাহেবের কথা। বেশ ভয় হতে লাগল ফাহিম সাহেবের। ডাঃ করিমুল হালকা হেসে আশ্বস্ত করলে দুজন কেই। বললেন, দেখুন আপনা ঠিক সময়েই এসেছিলেন হাসপাতালে। প্রাথমিক চিকিৎসা আমরা ইমারজেন্সি থেকেই দিয়েছিলাম, চেস্ট কমপ্রেশন বা রিসাসিটেশন, ডিফিব্রিলেটর ও কিছু ওষুধের কারনে আপনার প্রাথমিক সমস্যাগুলো দুই তৃতীয়াংশের বেশি কেটে গিয়েছে, মোট কথা আপনার জীবন এই মুহূর্তে আশঙ্কামুক্ত। এক চিলতে হাসি ফুটল ফাহিম সাহেবের মুখে। এদিকে মিসেস ফাহিম জিজ্ঞাসা করলেন, আচ্ছা স্যার এর চিকিৎসা বা প্রতিকার কি?

নড়ে চড়ে বসলেন ডাঃ করিমুল জোয়ারদার, প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে সি পি আর দেয়া হয়ে থাকে, দুঃখের বিষয় এই যে, আমাদের দেশে এ বিষয়ে মানুষের মাঝে সচেতনতা বোধ এখনো তৈরি হয়নি। এটি হল কারডিও পাল্মোনারি রিসাসিটেশন ( সি পি আর) এতে রোগীর বুকের খাঁচার উপর জোরে বেশ কয়েকবার চাপ দেয়া হয় পাশাপাশি মুখ থেকে মুখে বা নাকে ফু দেয়া হয়। কিছু নিয়মের মাধ্যমে এটি করা হয়। একান্তই যদি কেও না জানেন তাহলে জোড়ে সাহায্যের জন্য চেঁচামেচি করতে হবে, খুব দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিলে ভাল ফল আশা করা যেতে পারে।আমাদের এখানে প্রতি তিন মাস পর পর এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়, আগ্রহী যে কেও এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন। এটা আসলে সবার জানা প্রয়োজন। যাই হোক, এর পরে হল ডিফিব্রিলেটর- অর্থাৎ, বুকে নির্দিষ্ট মাত্রার ইলেকট্রিক শক। এটি শুধুমাত্র অভিজ্ঞদের মাধ্যমেই দেয়া হয়ে থাকে। এছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ও রোগের মাত্রা অনুযায়ী ওষুধ তো থাকেই।

এবারে আসুন প্রতিরোধ বা প্রতিকার নিয়ে-  

সত্যি বলতে হার্ট এট্যাক এর চিকিৎসার থেকে প্রতিরোধে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত আমাদের। যেহেতু এটি হৃদরোগের অন্তর্ভুক্ত, তাই কিছু নিয়ম কানুন মানে চললে শুধু হার্ট এট্যাক নয়, অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক কমে যাবে। এই ধরুন-

ধূমপান না করা, সবসময় ব্যালেন্সড ডায়েট বা সুষম ও পরিমিত খাবার খাওয়া, নিয়ম মাফিক ব্যায়াম করা, যেমন- ৩৫-৪৫ মিনিট জোড় কদমে হাটা। হাটা মানে কিন্তু ব্যায়ামের উদ্দেশ্যেই হাটা, এমন না যে, অফিস বা বাজার থেকে বাসায় ফেরার সময় হেটে আসা, সুন্দর ও নিরিবিচ্ছিন্ন ঘুম দেয়া, অর্থাৎ- কমপক্ষে ৭ ঘুমানো, যদি কেও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত থাকেন তবে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা, যদি কেও এলকোহল সেবী হোন, সেক্ষেত্রে পুরোপুরি বাদ দেয়া বা একেবারে কমিয়ে আনা, রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অবশ্যই কোলেস্টেরল কে আয়ত্তে রাখা, এজন্য ৩৫ বয়সের উপর সবাইকে কমপক্ষে বছরে এক বা দুই বার কোলেস্টেরল এর পরীক্ষা করা উচিত। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা- এতে কোলেস্টেরলের মাত্রা যেমন আয়ত্তে থাকবে তেমনি সন্দর শারীরিক গঠনও হবে। আর সবচে বেশি জরুরী হল চাকরি, সংসার বা ব্যাবসা ক্ষেত্রে মানসিক চাপ মুক্ত থাকা, এ ব্যাপারে বেশি বেশি জানতে হবে, দরকারে স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে আরো ধারনা নিতে হবে।

ফাহিম সাহেব মাঝে বলে বসলেন, হার্ট এট্যাক পরবর্তী রিকভারি কেমন হতে পারে? অর্থাৎ কেও যদি এ রোগে একবার আক্রান্ত হন, তাহলে চকিতসার পরে কি রকম সফলতা আশা করা যায়?

ডাঃ করিমুল বললেন, দেখুন  হার্ট এট্যাক পরবর্তী রিকভারি হল একটি ধীর প্রক্রিয়া, তবে ভয়ের কারন নেই। সেহেতু এটি হয় দীর্ঘদিন ধরে, এর রিকভারিও হবে সেরকম আস্তে আস্তে। তবে এটি নির্ভর করে এর অবস্থার উপর মানে হার্ট এট্যাকের সিভিয়ারিটি ও অন্যান্য কিছু বিষয়ের উপর, যেমন রোগীর বয়স।

তবু বলা যায়, রিকভারি বা রোগীর পূর্বাবস্থায় ফিরে আসা নির্ভর করে-

আক্রান্ত ব্যাক্তির কর্মদক্ষতার উপর যা, খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, আক্রান্ত ব্যাক্তি অবশ্যই কর্মক্ষম থাকবেন, সেটা হতে পারে হালকা ব্যায়াম বা কায়িক শ্রম।রোগীর অবস্থা বুঝে একজন চিকিৎসকই তা নির্ধারণ করে দেবেন দৈনিক কি পরিমাণ ব্যায়ামের প্রয়োজন। এর পরে অসুস্থতার পরে পুনরায় কাজে ফেরা। হার্ট এট্যাকের পরে রোগীর দ্রুত কাজে ফেরা নিয়ে তাড়াহুড়ো করা যাবেনা। তাছাড়া, পূর্বাবস্থা নির্ভর করে রোগীর কাজের ধরনের উপর। মানসিক চাপ যুক্ত কাজ বা খুব কায়িক পরিশ্রমের কাজ করা থেকে বিরত থাকা বাঞ্ছনীয়। এছাড়া, হার্ট এট্যাক পরবর্তী রোগীরা সাধারণত বিষণ্ণতায় ভোগেন, যা রিকভারির ক্ষেত্রে মোটেই ভাল নয়। এরকম কোন সমস্যায় পরলে অবশ্যই চিকিৎসক কে জানাতে হবে। আবার অনেকে গাড়ি চালান, সেক্ষেত্রে কমপক্ষে ৪ সপ্তাহ ড্রাইভিং থেকে বিরত থাকতে হবে।

সত্যি বলতে হার্ট এটাকের রোগীর ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি ফলোআপের প্রয়োজন। সবসময় ফলোআপে থাকলে দীর্ঘ মেয়াদি এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

রিকভারি বা পূর্বাবস্থায় ফিরে আসা সম্পূর্ণ নির্ভর করে জীবনাচারনের উপর। পরবর্তীতে যাতে সমস্যা না হয় অথবা রোগী আবার যাতে এরকম কোন সমস্যায় না পড়েন, তার জন্য রেগুলার ফলোআপের পাশাপাশি চিকিৎসক প্রদত্ত নির্ধারিত ওষুধ অনেক জরুরী। আপনাকেও সেটা মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি পরিবারের অন্যান্য সদস্য যাতে এরকম সমস্যার মাঝে না পড়েন তার জন্য রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে ভাল ধারনা রাখা বাঞ্ছনীয়।

এই বলে করিমুল সাহেব তার কথা শেষ করলেন। ফাহিম সাহেব ও মিসেসের মুখে হাসি ফুটে উঠল। ডাক্তার করিমুল খুব সুন্দর করে হার্ট এট্যাক নিয়ে কথা বলাতে তাদের এ বিষয়ে অনেক অজানা জিনিষ জানা হয়ে গেল, পাশাপাশি ফাহিম সাহেব মনে মনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলেন এখন থেকে নিয়মমাফিক জীবনের অভ্যাস গড়ে তুলবেন ও তার অফিসের কলিগদেরও এ বিষয়ে সচেতন করে তুলবেন।

এক মাস পর, ভোর বেলা; স্থান- রমনা পার্ক, ফাহিম সাহেব ও তার মিসেস জোর কদমে হাঁটছেন, তারা প্রতিদিন ৪০- ৪৫ মিনিট হাঁটেন, মিসেস ফাহিম রান্নাতে তেল, লবণ ইত্যাদি অনেক কমিয়ে দিয়েছেন। সকাল, রাত দুবেলা রুটি সব্জি খান পরিবারের বড়রা, আর বাচ্চার জন্য পুষ্টিকর খাবার। ফাহিম সাহেব এখন বাসা থেকেই রান্না করা খাবার অফিসে নিয়ে যান। বাইরের খাবার একরকম বাদই দিয়েছেন। পাশাপাশি ডাঃ করিমুল সাহেবের দেয়া ওষুধ চলছে। আর ধূমপান, সেটাতো মাস খানেক আগেই বন্ধ। এইতো চলছে তাদের দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *